আমাদের রাজ্যে যে সমস্ত চাকরি, প্রবেশিকা এবং আরও বিভিন্ন ধরনের যে পরীক্ষাগুলি হয় তার মধ্যে WBCSC SET Exam হল খুবই জনপ্রিয় এবং অন্যতম কঠিন পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি। রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অধ্যাপক(Assistant Professor) নিয়োগের জন্য এই SET পরীক্ষাটি নেওয়া হয়ে থাকে।

এই ‘SET’ পরীক্ষাটি সাধারনত বছরে একবারই হয়। ২০২৩ সালের ৮ই জানুয়ারি এই পরীক্ষাটি হয়েছে। সাধারনত পরীক্ষাটির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় জুলাই অথবা সেপ্টেম্বর মাসে এবং ফর্ম ফিল আপ শুরু হয় সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে আর পরীক্ষাটি হয় ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মাসের মধ্যে। আমরা এখন নিম্নে এই WBCSC সেট পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব-

WBCSC SET

সেট (WBCSC SET) পরীক্ষা কী?

WBCSC -এর পুরো অর্থ হল ‘West Bengal College Service Commission’। এই WBCSC -এর তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর পশ্চিমবঙ্গে ‘SET’ অথবা State Eligibility Test exam হয়। এই পরীক্ষায় পাশ করলে WBCSC -এর পক্ষ থেকে কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের একটি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে তারা আমাদের রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসার হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।

এই SET পরীক্ষা রাজ্যভিত্তিক স্তরে হয়ে থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি রাজ্য তাদের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অধ্যাপক নিয়োগের জন্য এই SET পরীক্ষাটি পরিচালনা করে থাকে। এই SET পরীক্ষায় উত্তীর্ন হওয়ার পর WBCSC-র পক্ষ থেকে যে সার্টিফিকেট দেওয়া হয় তার দ্বারা শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষকতা করার জন্যই আবেদন করা যায়। এই পরীক্ষাটি যেহেতু রাজ্য ভিত্তিক হয় তাই যে কৃতকার্য পরীক্ষার্থীর কাছে যে রাজ্যের SET Exam-এর Qualification Certificate থাকবে সে শুধুমাত্র সেই রাজ্যের কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষকতা করার জন্যই আবেদন করতে পারবে।

পরীক্ষার নামState Eligibility Test Exam (SET)
পরিচালক সংস্থাWest Bengal College Service Commission (WBCSC)
পরীক্ষার ধরনOffline
পরীক্ষার সময়৩ ঘন্টা (১৮০ মিনিট)
আবেদন প্রক্রিয়াOnline
পরীক্ষার ধাপএকটি
পরীক্ষার ভাষাবাংলা, ইংরেজি
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটwww.wbcsconline.in
www.wbcsc.org.in
আবেদন মূল্যGeneral Candidate- ১২০০/-
OBC and EWS(Economical Weaker Section)- ৬০০/-
SC/ST/PWD – ৩০০/-

সেট পরীক্ষার ধরন (WBCSC SET Exam Pattern)

SET পরীক্ষাটিতে দুটি পেপার থাকে এবং এই দুটি পেপার একদিনেই হয়। তাই এই পরীক্ষাটির একটি ধাপ।Paper-1 এ থাকে ২ নাম্বারের ৫০টি প্রশ্ন আর Paper-2 তে থাকে ২ নাম্বারের ১০০টি প্রশ্ন। মোট ৩০০ নাম্বারের প্রশ্ন আসে ২টি পেপার মিলিয়ে আর এই ৩০০ নাম্বারের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য ১৮০ মিনিট অথবা ৩ঘন্টা সময় দেওয়া হয়। Paper-1-এর জন্য ১ঘন্টা এবং PAPER-2-এর জন্য ২ঘন্টা সময় দেওয়া হয়। পরীক্ষায় পাশ করার জন্য ২টি পেপারে পৃথক ভাবে ৪০ শতাংশ নাম্বার পেতে হবে। অর্থাৎ, পেপার-১ এ ১০০তে ৪০ এবং পেপার-২ এ ২০০তে ৮০ নাম্বার পাওয়া আবশ্যিক। SET Exam-এর সমস্ত প্রশ্ন MCQ-তে আসে।

সেট পরীক্ষার যোগ্যতা (WBCSC SET Eligibility Criteria)

SET Exam-এর জন্য West Bengal College Service Commission (WBCSC) নূন্যতম কিছু Eligibility Criteria (যোগ্যতা) রেখেছে। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা Criteria রাখা হয়েছে। Criteria গুলি নিম্নে আলোচনা করা হল –

সেট পরীক্ষার শিক্ষাগত যোগ্যতা (WBCSC SET Educational Qualifications)

SET Exam দেওয়ার জন্য স্নাতকোত্তর(Post Graduation) পরীক্ষায় নূন্যতম ৫৫ শতাংশ(55%) নাম্বার থাকতে হবে General Candidate-দের। ৫০ শতাংশ(50%) নাম্বার থাকতে হবে ST/SC/OBC/PWD Candidate-দের।

এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনেক পরীক্ষার্থী মনে একটি প্রশ্ন থাকে যে, SET পরীক্ষা দিতে হলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী থাকতে হবে কিনা।এই প্রসঙ্গে বলা যায় যে, কোনো পরীক্ষার্থী যদি তার স্নাতক(Graduation) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্নাতকোত্তর(Post Graduation) স্তরের পড়াশোনার জন্য ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয় তাহলেই সে SET পরীক্ষায় বসতে পারবে। কারন স্নাতকোত্তর(Post Graduation) স্তরের পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগে যদি কোনো পরীক্ষার্থী SET Exam-এ পাশ করে যায় তাহলে WBCSC তাকে ২বছর সময় দেয় তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রী শেষ করার জন্য। অর্থাৎ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ছাত্র-ছাত্রীরা SET Exam এর প্রস্তুতি নিতে পারে। Open University থেকে স্নাতকোত্তর করা পরীক্ষার্থীরাও এই পরীক্ষা দিতে পারেন।

সেট পরীক্ষার বয়সসীমা (WBCSC SET Age Limit)

SET Exam-এর কোনো বয়সসীমা থাকেনা। ২১ বছর বয়সের পর যেকোনো পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় বসতে পারেন।

সেট পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া (WBCSC SET Application Process)

WBCSC সাধারণত SET পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জুলাই অথবা সেপ্টেম্বর মাসে এবং ফর্ম ফিল আপ শুরু হয় সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে। আবেদন করার জন্য WBCSC-এর portal www.wbcsconline.in অথবা www.wbcsc.org.in এ গিয়ে ফর্ম fill up করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকেএই পরীক্ষার আবেদন মূল্য হিসাবে General Candidate- দের জন্য ১২০০/-, OBC and EWS(Economical Weaker Section)- প্রার্থীদের জন্য ৬০০/- এবং SC/ST/PWD- প্রার্থীদের জন্য ৩০০/- ধার্য করা হয়েছে।

Salary বা বেতন কাঠামো

কোন পরিক্ষার্থী একবার SET exam পাশ করার পর রাজ্যের যে কোনো সরকারি এবং বেসরকারি কলেজ অথবা ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপক হিসাবে নিযুক্ত হতে পারেন। তিনি তখন সেই প্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামোর উপর নির্ভর করে বেতন পান। সাধারনত বলা যায় যে SET সার্টিফিকেট প্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাথমিক বেতন ৪১০০০/- থেকে শুরু হয়।

সেট পরীক্ষার প্রস্তুতি (WBCSC SET Exam Preparation)

SET পরীক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতের অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা নির্বাচিত হন, যারা রাজ্যের উচ্চশিক্ষায় ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষা দান করেন। অতএব, বোঝাই যাচ্ছে যে এই পরীক্ষা অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক প্রার্থী নির্বাচনের জন্য এই পরীক্ষাটি সাধারনত কঠিন হয়ে থাকে এবং এই পরীক্ষার সিলেবাসও অনেক বড় হয়। এই কারনে এই পরীক্ষাটি রাজ্যে দ্বারা পরিচালিত কঠিন পরীক্ষাগুলির মধ্যে অন্যতম বলে বিবেচিত হয়। বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী স্নাতোক স্তর(Graduation) উত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকেই SET পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

আমরা আগেই দেখেছি যে SET Exam একদিনেই হয় এবং ২টি পেপারে একসাথেই পরীক্ষা দিতে হয়। PAPER-1 এর বিষয় হল General Paper Of Teaching(GTA) এবং Paper-2 তে থাকে নির্দিষ্ট Subject-এর থেকে প্রশ্ন। অর্থাৎ, যে পরীক্ষার্থী যে বিষয়ের অধ্যাপক হতে চান সেই বিষয়ের উপর প্রশ্ন আসে Paper-2-এ।

PAPER-1 এর General Paper Of Teaching(GTA) থেকে ৫০টি ২ নাম্বারের(মোট ১০০) প্রশ্ন আসে। এই Paper-1-এর বিষয়গুলিকে ১০টি UNIT-এ ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক Unit থেকে সাধারনত ৫টি করে প্রশ্ন আসে। PAPER-2 তে ১০০টি ২ নাম্বারের(মোট ২০০)প্রশ্ন আসে। মোট ৩০০ নাম্বারের প্রশ্ন আসে ২টি পেপার মিলিয়ে আর এই ৩০০ নাম্বারের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য ১৮০ মিনিট অথবা ৩ঘন্টা সময় দেওয়া হয়। Paper-1-এর জন্য ১ঘন্টা এবং PAPER-2-এর জন্য ২ঘন্টা সময় দেওয়া হয়। NET Exam-এর সমস্ত প্রশ্ন MCQ-তে আসে।

সেট পরীক্ষার সিলেবাস (WBCSC SET Exam Syllabus)

আমরা আগেই জেনেছি যে SET পরীক্ষায় ২টি Paper থাকে। PAPER-1-এ থেকে General paper of teaching, Aptitude, Reasoning প্রভৃতি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন আসে এবং PAPER-2 তে থাকে বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন। এখানে আমরা ২টি paper-এর সিলেবাস নিয়ে আলোচনা করব।

PAPER- 1

আমরা আগেই জেনেছি যে, PAPER-1 এর Syllabus-কে যে ১০টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সে গুলি হল-

  • Teaching Aptitude.
  • Research Aptitude.
  • Comprehension.
  • Communication.
  • Mathematical Reasoning and Aptitude.
  • Logical Reasoning.
  • Data Interpretation.
  • Information Communication Technology.
  • People Development and Environment.
  • Higher Education System.

উপরিউক্ত প্রতিটি Unit থেকে ৫টি করে প্রশ্ন আসে।

PAPER- 2

Paper- 2 বিষয়ের উপর ভিত্তি করে করা হয়। অর্থাৎ, যে পরীক্ষার্থী যে বিষয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা হতে চান সেই বিষয়ের সমস্ত প্রশ্ন Paper- 2-তে আসে। WBCSC-এর তরফ থেকে মোট ৩৩টি বিষয়কে ধার্য করা হয়েছে Paper-2-এর জন্য। সেগুলি হল-

১) ইংরেজি, ২) বাংলা, ৩) সংস্কৃ্‌ত, ৪) হিন্দি, ৫) উর্দু, ৬) কমার্স, ৭) ইকোনমিকস, ৮) ইতিহাস, ৯) দর্শন, ১০) রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ১১) এডুকেশন, ১২) ভূগোল, ১৩) নৃতত্ত্ববিদ্যা, ১৪) ভৌতবিজ্ঞান, ১৫) জীব বিজ্ঞান, ১৬) ম্যাথামেটিক্যাল সায়েন্স, ১৭) মনোবিজ্ঞান, ১৮) সমাজবিজ্ঞান, ১৯) হোম সায়েন্স, ২০) লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স, ২১) কেমিক্যাল সায়েন্স, ২২) কম্পিউটার সায়েন্স, ২৩) ইলেক্ট্রনিক সায়েন্স, ২৪) শারীরশিক্ষা, ২৫) সাওতালি, ২৬) নেপালি, ২৭) আরবিক, ২৮) সঙ্গীত, ২৯) আইনবিদ্যা, ৩০) মাস কমিউনিকে অ্যান্ড জার্নালিশম, ৩১) পৃথিবী বিজ্ঞান, ৩২) পরিবেশ বিদ্যা, ৩৩) ম্যানেজমেন্ট।

এখানে এই যে ৩৩টি বিষয় নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে সেই বিষয়গুলির Alling Subject-এ স্নাতকোত্তর করা প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। সহজ ভাষায় বলতে গেলে কোনো পরীক্ষার্থী যদি Public Administration বা International Relationship নিয়ে স্নাতকোত্তর করেন তাহলে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়টিকে Paper-2-এর বিষয় হিসাবে নির্বাচন করতে পারেন। আবার কোনো পরীক্ষার্থী যদি Botany, Zoology নিয়ে স্নাতকোত্তর করেন তাহলে তিনি জীববিজ্ঞান বিষয়টিকে Paper-2-এর বিষয় হিসাবে নির্বাচন করতে পারেন। এইভাবে Geology-তে স্নাতকোত্তর করা পরীক্ষার্থীরা পৃথিবী বিজ্ঞান বিষয়টিকে, রসায়ন ও পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর করা পরীক্ষার্থীরা ভৌতবিজ্ঞান বিষয়টিকে Paper-2-এর বিষয় হিসাবে নির্বাচন করতে পারেন।

সেট পরীক্ষার নির্বাচন প্রক্রিয়া (Selection Process)

SET পরীক্ষা একটি ধাপে হয় এবং একসাথে ২টো পেপার হয়। ২টো পেপার মিলিয়ে মোট ৩০০তে পরীক্ষা হয়। ২টি পেপারে পৃথক ভাবে ৪০ শতাংশ নম্বর পেলে তবেই সেই পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র গ্রহন যোগ্যতা পাবে। অর্থাৎ, প্রথম পেপারে ১০০তে ৪০ নম্বর এবং দ্বিতীয় পেপারে ২০০তে ৮০ নম্বর মিলিয়ে মোট ৩০০তে ১২০ নম্বর পেলে তবেই সেই পরিক্ষার্থীর উত্তরপত্র বিবেচ্য হবে। Paper-1-এ ১০০তে মোট ৪০ না পেলে সেই পরীক্ষার্থীর Paper-2-এর উত্তরপত্র দেখা হয়না।

এরপর যে সমস্ত পরীক্ষার্থী ১২০ অথবা তার অধিক নম্বর পাবে তাদের সেই বছরে প্রাপ্ত সর্বচ্চ নম্বরের উপর ভিত্তি করে cut off marks নির্ধারিত হয়।

সেট পরীক্ষা কবে?

সেট পরীক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত সময়সূচী নির্ধারন করে ‘West Bengal College Service Commission’(WBCSC). বর্তমান বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের সেট পরীক্ষা মনে করা হচ্ছে অক্টোবর মাসের পর হতে পারে।

নেট ও সেট পরীক্ষার মধ্যে পার্থক্য কি?

SET ও NET Exam- এর মধ্যে একটিই পার্থক্য আছে, তা হল-NET পরীক্ষাটি National level- এ হয়। অর্থাৎ, NET পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া পরীক্ষার্থীরা দেশের যে কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার জন্য আবেদন করতে পারে। অপরদিকে SET পরীক্ষাটি হয় State level-এর। যার অর্থ হল- SET পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া পরীক্ষার্থীরা শুধুমাত্র যে রাজ্য থেকে পরীক্ষা দিয়েছেন অথবা যে রাজ্যের কমিশন দ্বারা তারা তাদের SET পরীক্ষার সার্টিফিকেটটি পেয়েছেন, সেই সেই রাজ্যের কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষকতা করার জন্যই আবেদন করতে পারবে।

সেট পরীক্ষা কি সহজে পাশ করা যায়?

সেট পরীক্ষার মাধ্যমে যেহেতু রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির জন্য ভবিষ্যত অধ্যাপকদের নিযুক্ত করা হয়, তাই এই পরীক্ষাটি যথেষ্ট কঠিন হয় এবং সহজে পাশ করাও কঠিন হয়।

সেট পরীক্ষার সুবিধা কি?

সেট পরীক্ষার একটিমাত্র সুবিধা এই যে- এই পরীক্ষাটি রাজ্যভিত্তিক হওয়ার ফলে এই পরীক্ষায় প্রতিযোগীতা কম হয় নেট পরীক্ষার তুলনায়।

নেট নাকি সেট কোনটা ভালো?

তুলনামূলকভাবে বলতে গেলে সেট পরীক্ষার থেকে নেট অনেকাংশে ভালো। কারণ সেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পরীক্ষার্থী রাজ্যের মধ্যে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ পায় কিন্তু নেট পরীক্ষায় ভিত্তিক স্তরে হয়ে থাকে আর নেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থী সমগ্র দেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার এবং নির্দিষ্ট নম্বর পেলে গবেষনা করার সুযোগও পেয়ে থাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here